Total Pageviews

Thursday, 15 March 2012

না না এখন হবে না.. ঘুরে এস

কুঞ্চিত হস্তে দোরে দোরে ফিরি
কোথাও কোথাও ঘন কালো মেঘ আকাশ বিদীর্ণ করে দু এক ফোটা এসে পরে বারি
তা ই তালুমধ্যস্থ করি..


সেই আজ ও মনে পরে ছোটবেলায় ফেরিওয়ালার গাড়ি চরে দূর দিগন্তে দিতাম পারি
পুকুর পারে গাছের জলছবি আর আমার গালে হাত

আজ সকালে ঠান্ডায় আর বেরোতে পারিনি
আর এখন তো আর বেরোনো যাবে না
ওদের যে স্নান এর সময় হয়ে গেছে
থাক বিকেলেই বেরোব
কুঞ্চিত পেট তা কে না হয় দু চারটে আশ্বাস দিয়েই ঘুমই
গত কালের সবকটা ভাত বোধই না খেলেই ভালো হত

নদী প্রান্তে ঘর আমার হওয়ার দোলাই দোলে
নদী জেগে গেলে ঘরখানি কেড়ে নেয়
কিন্তু প্রতিবাদ করি না
আর যাই হোক বছরের অনেক কটা মাস ই তো আশ্রয় দেয়

বিকেলে বেরোতেই ঘন কালো মেঘের সারি কটমট দৃষ্টি তে চাইল
কম্পিত হাতের দু চারটে আধুলির দিকে চেয়ে এগিয়ে গেলাম
কালো মেঘ আরও রেগে বর্সন সুরু করলো
হা বৃষ্টি সেই বৃষ্টি যাকে তোমরা তোমাদের বারান্দায় চা খেতে খেতে উপভোগ কর
হা সেই বৃষ্টি যাকে দেখলে কবিরা খাতা কলম হাতড়াতে থাকে
হা সেই বৃষ্টি যা প্রেমিক প্রেমিকার বন্ধনের ঢালাই মজবুত করে
হা সেই বৃষ্টি যা আইই বৃদ্ধের অর্ধনগ্ন শরীর টা ভিজিয়ে তার কম্পনের মাত্র বাড়াতে থাকে

দুই দিকে জমি আর মাজখানে রাস্তা
পালাবার পথ নেই
আমি নিরস্ত্র
রাস্তার নিচে রয়েছে জল যাবার পথ
তাতেই আশ্রয় নিলাম
এই প্রথম মানুষ আর কুকুর আর মধ্যে কোনো পার্থক্য পেলাম না

বাড়ি ফিরে আরও একবার মনে হলো
গত কালের সবকটা ভাত বোধই না খেলেই ভালো হত .....

No comments:

Post a Comment