সোজাসুজি কথা বলা যায়না কারণ কিছু মূলক আশংকা থেকে যায় | বালিশের খোলে সেই সব রাতের ঘ্রাণ অমাবস্যাতে ও নিরস ভাবে জানান দেয় | অনর্থক শব্দ জাল বুনি এবং সেখানে নিজেই ধরা পরি তখন ইশপের গল্পগুলো মনে পরে | কিছু অনুপাতের অঙ্ক শেষ বিকেলের গন্ধে ভিজে ডায়েরির পাতায় | করিডোরের কান বাঁচিয়ে রুমমেটের চোখে চোখে | হাত-পা ধুতে আলসেমি তাই রাতের স্বপ্নে চোরকাঁটার খোঁচায় ঘুমের দফারফা | বন্ধ চোখে সুবাস খুঁজি | শিশি ভেঙ্গে তরল উধাও এক নিমেষে গন্ধ তবু দশক জুড়ে | এখন জানি ওই সুবাস ভীষন দামী | অকারণ চমকে উঠি । ফিরে দেখি গন্ধটুকুই চেনা, বাকিটা ধূসর |
Total Pageviews
Wednesday, 18 July 2012
Monday, 16 July 2012
খাপছাড়া ডেসিবেল
আমরা কি পরস্পরের জন্য নই?
অতি পরিচিত হৃদয় ঘটিত উদ্বেগের
ততোধিক পরিচিত অসৌজন্য;
উচ্চকিত চিত্কারের তর্জমা এক অসহ্য অসহায়তা ;
তুমি আমায় ধারণ করো না,
বারণ করো না
আড়াল ও করো না;
অকারণ উদ্যোগে পুরাতনে জড়াও না,
সামাজিক শব্দজব্দে একা লড়ে যাই !
হৃদয়ের অসমতলে মুখ ফাঁক করে শ্বাস নেই,
অভ্যাস বশে
সাহায্যে চেনা ঠোঁট খুজি ;
চোখের তলার কালি তোমাকে রোজ চিঠি লিখত,
দিনের আলোয় কখনো খেয়াল করোনি জানি !
তোমার প্রিয় বাক্য এখনো কি ওই পদ্ম পাতায় জল -
আমার রোজ দিনের
বিষাক্ত বিদ্রূপ !
মন ধুয়ে যায় ছোট্ট লাল টিপে -
তোমার অসাবধান আদর কখনো
মনে রাখি না, রাখতে নেই
এখন ঠিক বুঝেছি - তুমি কিছুতেই আমার জন্য না !
কথকতা - ১৯
পুরু নিটোল শব্দের নাগরিক আড়াল
কখনো ঘন লাল লিপস্টিক বা উদাসীনতা
রাস্তার পাশে কিছু ব্রাত্য আর অবাঞ্ছিত যেমন বেখাপ্পা ভ্রু
টাইম কলের জলের মত
জীবন বয়ে যায় - বাধাহীন !
আপত্তি ও বিশেষ নেই -
ঘনত্ব এখানে সূচক নয়, নিঃশ্বাসের পরিসংখ্যা ও মাপতে পারে না
এইসব জ্যান্ত মানুষ আর তাদের লাশ ডিঙোনো ক্ষিধেকে;
মৃতবত্সা বোধ আশ্বাস চায়
অথবা শুকনো কয়েকটি টুকরো কাঠ;
অনিবার্য আবার খান্ডব দহন !
Thursday, 5 July 2012
সাবমেরিন ৫
অসহায় কিছু নির্মান তোর শরীর ভেঙে চুরে
আঁতুড়ের সোঁদা গন্ধে
জ্বলছে অস্থি মজ্জা
হিসেব নিকেশ পুড়ে ছাই
কলম হারালে নখের আঁচড়ে তোকে রাখি
তুই বারবার আমায় গিলে ফেলিস রাক্ষুসীর মতো
তোর জন্য আফিমগুলি,
ঝিমধরা নেশা
নীল বিষ
এই বাগান, সেই উদ্যান
ফুলের নিঃশ্বাস চুরি
তারপর
অনুপ্রাণিত ঝাঁপতাল
শঙ্খ শক্তি জয়
শিরায় উপশিরায় আরশোলা হয়ে ঘুরিস
তোর দ্রবনে সমসত্ত্ব হয়ে গুলে যাই - অসহায় আমি
Subscribe to:
Posts (Atom)